করোনা মহামারি ধারণ করেছে ভয়াল রূপ। সাথে আবারও আঘাত এসে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের পেশাজীবনেও। এই দুঃসময়ে আমাদের একটুখানি এগিয়ে আসাই স্বস্তির হাসি এনে দিতে পারে তাদের। মানবতার শক্তিতেই কেটে যাবে ক্ষণিকের মেঘ। পাশে দাঁড়ানোর প্রয়াসে তাই আবারও আইপিডিসি ফাইন্যান্স ফিরিয়ে এনেছে ‘আইপিডিসি মানবতা’ ডিপোজিট।

আইপিডিসি-তে ন্যূনতম পাঁচ লাখ টাকা ডিপোজিট করলে প্রতি পাঁচ লাখ টাকা ডিপোজিটে খাদ্যের যোগান হবে দুইটি অসহায় পরিবারের; আইপিডিসি ও ডিপোজিটকারীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।

গ্রাহক এবং আইপিডিসির যৌথ প্রচেষ্টায় প্রতি ৫ লক্ষ টাকা ডিপোজিটে ৬ মাস মেয়াদে ১টি পরিবারের ১ মাসের খাবার পৌঁছে দেয়া হবে; ১২ মাস মেয়াদে ২টি পরিবারের ১ মাসের খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। খাবারসমূহ সুপরিচিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে যথাযথ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।

দেশসেরা ডিপোজিট স্কিমে নির্ভরযোগ্য সঞ্চয়ের মাধ্যমে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আপনিও অংশ নিতে পারছেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই সময়ে।


মানবতা ডিপোজিট-এর সময়সীমাঃ ২১ এপ্রিল ২০২১ - ১৩ মে ২০২১

ন্যূনতম ডিপোজিটঃ ৫ লক্ষ টাকা

ন্যূনতম মেয়াদঃ ৬ মাস


FAQ

১. IPDC মানবতা কি?

IPDC মানবতা, একটি বিশেষ ডিপোজিট প্রোডাক্ট যার মাধ্যমে আপনার আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অসহায়দের দ্বারে খাবার পৌঁছে যাবে আইপিডিসি ও আপনার সম্মিলিত অংশগ্রহণে। অন্তত ১২ মাসের জন্য প্রতি পাঁচ লাখ টাকা ডিপোজিটে দুটি ক্ষুধার্ত পরিবারের কাছে পৌঁছে যাবে এক মাসের জন্য ৫০০০ টাকার খাবার যার মধ্যে আপনার অবদান ২৫০০ টাকা এবং আইপিডিসির অবদান ২৫০০ টাকা।

৬ মাসের জন্য ডিপোজিটের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচ লাখ টাকা ডিপোজিটে ২৫০০ টাকা সমপরিমাণ খাদ্যসাহায্য পাবে একটি অসহায় পরিবার যার মধ্যে আপনার অবদান ১২৫০ টাকা এবং আইপিডিসি-র অবদান ১২৫০ টাকা।

অন্তত পাঁচ লাখ টাকা ডিপোজিট করলে তা মানবতা ডিপোজিট-এর আওতাভুক্ত হবে।

২. এই ক্যাম্পেইনের ক্ষেত্রে ডিপোজিটে মুনাফার হার কত?

এক বছরের জন্য ডিপোজিট করলে বার্ষিক মুনাফা অফিসিয়াল রেট অনুযায়ী ৫.৭৫%; তবে এই ক্যাম্পেইনে আপনার ০.৫০% অবদানের কারণে আপনি পাবেন ৫.২৫% বার্ষিক মুনাফা। আপনার অবদানের সাথে ০.৫০% পরিমাণ অবদান আইপিডিসি-ও রাখবে যার ফলে সম্মিলিত সাহায্যের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫০০০ টাকা।

৬ মাসের জন্য ডিপোজিট করলে বার্ষিক মুনাফা অফিসিয়াল রেট অনুযায়ী ৫.৫০%; তবে এই ক্যাম্পেইনে আপনার ০.৫০% অবদানের কারণে আপনি পাবেন ৫% বার্ষিক মুনাফা। আপনার অবদানের সাথে ০.৫০% পরিমাণ অবদান আইপিডিসি-ও রাখবে যার ফলে সম্মিলিত সাহায্যের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৫০০ টাকা।

৩. এই করোনা পরিস্থিতে আমি কিভাবে আইপিডিসিতে ডিপোজিট করতে পারি?

১. আইপিডিসি-র নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে আপনি অনলাইন ট্রান্সফার করতে পারেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট রিলেশনশিপ ম্যানেজার আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে।
২. আপনি চাইলে আমরা করোনার জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করে আপনার কাছ থেকে A/C Payee চেক সংগ্রহ করবো।

৪. একাউন্ট ওপেনিং এর জন্য কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন এবং তা কিভাবে সংগ্রহ করা হবে?

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা এখন Email / WhatsApp এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করছি। আমরা আপনার Email / WhatsApp এ আমাদের অ্যাকাউন্ট ওপেনিং ফর্মটি পাঠিয়ে দিব। পূরণকৃত ফর্ম, আপনার ছবি, আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং অনলাইন ট্রান্সফারের কনফার্মেশন সংক্রান্ত মেসেজ বা স্ক্রিনশট আমাদেরকে Email / WhatsApp করলেই আমরা আপনার অ্যাকাউন্ট ওপেন করে দিবো।

৫. আমার অ্যাকাউন্ট নবায়ন করলে কি তা ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে বিবেচ্য হবে?

জ্বি, অ্যাকাউন্ট নবায়ন করলেও তা ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে বিবেচ্য হবে।

৬. এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করলে কি ডিপোজিটের মুনাফার হার হ্রাস পাচ্ছে ?

ডিপোজিটের বার্ষিক মুনাফার হার এক বছরের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচ লাখে ৫.৭৫%; যার মাঝে আপনার পক্ষ থেকে মাত্র ০.৫% (২৫০০ টাকা) এবং আইপিডিসি-র পক্ষ থেকে ২৫০০ টাকা (সর্বমোট ৫০০০ টাকা) সমপরিমাণ এক মাসের খাবার সরবরাহ করা হবে ২টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে। একইভাবে ডিপোজিটের বার্ষিক মুনাফার হার ৬ মাসের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচ লাখে ৫.৫%; যার মাঝে আপনার পক্ষ থেকে মাত্র ০.৫% (১২৫০ টাকা) এবং আইপিডিসি-র পক্ষ থেকে ১২৫০ টাকা (সর্বমোট ২৫০০ টাকা) সমপরিমাণ এক মাসের খাবার সরবরাহ করা হবে ১টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে। আপনার অবদানের সাথে আইপিডিসি সমপরিমাণ অবদান যুক্ত করায় আপনার অবদান দ্বিগুন হয়ে যাচ্ছে। ফলে একটি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের এক মাসের খাদ্যের সংস্থানও হয়ে যাচ্ছে। আইপিডিসি বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ও স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। ‘AAA’ ক্রেডিট রেটিং প্রাপ্ত আইপিডিসি-র দুই প্রধান শেয়ারহোল্ডার ব্র্যাক ও বাংলাদেশ সরকার। অর্থাৎ আইপিডিসি সঞ্চয়ের জন্য একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান। একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সুরক্ষার পাশাপাশি আপনি পাচ্ছেন একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের সুযোগ।

৭. আপনারা কিভাবে মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দিবেন?

অসহায় মানুষের কাছে এক মাসের খাবার পৌঁছে দেয়া হবে সাজিদা ফাউন্ডেশন, জাগো ফাউন্ডেশন আমাল ফাউন্ডেশনসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে।

৮. আমার সুপারিশকৃত স্থানে কি খাবার পৌঁছে দেয়া সম্ভব ?

আপনারা জানেন এই মুহূর্তে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই সীমিত। স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক কষ্ট করে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ত্রাণ দিয়ে আসছে। আমরা স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আপনার মনোনীত স্থানে খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করতে পারি। পরিস্থিতি অনুযায়ী সম্ভব হলে তারা সাহায্য করবে।

৯. একটি মানুষকে এক মাসের খাবার জন্য কি কি প্রদান করা হবে?

আমরা প্রতিটি পরিবারের জন্য ২৫০০ টাকা মূল্যের খাবার পৌঁছে দিবো। সম্ভাব্য পণ্য তালিকা: চাল, ডাল, খেজুর, ছোলা, লবণ, মুড়ি, তেল ইত্যাদি। এছাড়া স্বাস্থ্যসুরক্ষার কথা চিন্তা করে সাবান প্রদান করা হবে। উল্লেখ্য, প্রয়োজন মনে হলে পরিস্থিতি, এলাকা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিক বিবেচনা করে এই তালিকায় কিছু পরিবর্তন আনা হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে যারা সাহায্য পাবেন তাদের মঙ্গলই বিবেচনা করা হবে। আইপিডিসি-র কোনো স্বার্থ বিবেচ্য নয়।

১০. কোনো প্রতিষ্ঠান কি এই ক্যাম্পেইনে ডিপোজিট করতে পারবে?

জি, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয় প্রকার ডিপোজিটই এক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

১১. আমার ডিপোজিটকৃত অর্থের পরিমাণ ৫ লাখ দ্বারা বিভাজ্য না হলে কি হবে?

আমরা মোট ডিপোজিটকৃত অর্থ থেকে আনুপাতিক হারে অসহায় মানুষদের কাছে খাবার পৌঁছে দিবো।